অদ্য ২৩ অক্টোবর’১৯ খ্রিঃ সকাল ১০.০০ ঘটিকার সময় রংপুর রেঞ্জ ডিআইজি অফিসের সম্মেলন কক্ষে রংপুর রেঞ্জের সকল পুলিশ সুপারের উপস্থিতিতে ট্রাফিক ইউনিটের দায়িত্বপ্রাপ্ত টিআইগণকে নিয়ে আইন-শৃঙ্খলা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা বিষয়ক সভা অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভা শেষে সকাল ১০.৩০ ঘটিকায় একই স্থানে রংপুর বিভাগের ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ‘মাসিক অপরাধ ও আইন-শৃঙ্খলা পর্যালোচনা সভা’ অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত সভায় অত্র রেঞ্জের গত সেপ্টেম্বর মাসের অপরাধ পরিস্থিতি, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যালোচনাসহ আইন-শৃঙ্খলা ও অপরাধ বিষয়ক অন্যান্য বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা হয়। এছাড়াও উক্ত সভায় অত্র রেঞ্জে কর্মরত সকল স্তরের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে কর্মস্পৃহা ও কর্মচাঞ্চল্য বাড়ানোর লক্ষ্যে ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে অত্র রেঞ্জের বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যদের কৃতিত্বপূর্ণ কর্মকান্ডের জন্য নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ কর্মকর্তাদের হাতে মাননীয় রেঞ্জ ডিআইজি মহোদয় স¤মাননা স্মারক হিসেবে ক্রেস্ট তুলে দেন।

বিভিন্ন স্তরের পুলিশ সদস্যদের মধ্যে পঞ্চগড় জেলার দেবীগঞ্জ সার্কেল এর সহকারি পুলিশ সুপার জনাব মোঃ একরামুল হক সরকার শ্রেষ্ঠ সার্কেল হিসেবে নির্বাচিত হন। শ্রেষ্ঠ সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর থানার এসআই মোঃ সাহিদুর রহমান, শ্রেষ্ঠ মাদক ও চোরাচালান মালামাল উদ্ধারকারী কর্মকর্তা হিসেবে লালমনিরহাট জেলার সদর থানার এসআই মোঃ নুর আলম সরকার, শ্রেষ্ঠ ওয়ারেন্ট তামিলকারী অফিসার হিসেবে গাইবান্ধা সদর থানার এসআই মোঃ ফিরোজ হোসেন, শ্রেষ্ঠ এএসআই হিসেবে দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানার এএসআই মোঃ আলমগীর হোসেন, শ্রেষ্ঠ ট্রাফিক ইউনিট হিসেবে কুড়িগ্রাম ট্রাফিক ইউনিটের টিআই জনাব মোঃ জাহিদ সরওয়ার, শ্রেষ্ঠ থানা হিসেবে রংপুর জেলার তারাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ জিন্নাত আলী এবং শ্রেষ্ঠ জেলা হিসেবে পঞ্চগড় জেলার পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ ইউসুফ আলী পুরষ্কার গ্রহণ করেন। এছাড়াও ক্লুলেস খুন মামলার রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য রংপুর জেলার মিঠাপুকুর থানার এসআই মোঃ মিজানুর রহমান, একই জেলার ডিবি’র এসআই মোঃ মনিরুজ্জামান, কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী থানার এসআই মোঃ আব্দুল মতিন, আসামী গ্রেফতারে সাহসীকতাপূর্ন কাজের জন্য লালমনিরহাট জেলা আদিতমারী থানার এসআই মোঃ মিজানুর রহমান, মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতারে সাহসীকতাপূর্ন কাজের জন্য লালমনিরহাট সদর থানার কনস্টেবল/৫৮৯ জ্যোতিষ কুমার, একই থানার কনস্টেবল/২১১ ইমরান পাঠান ও একই জেলার আদিতমারী থানার কনস্টেবল/২৫৩ মোঃ নুরুন্নবী মিয়া বিশেষ পুরস্কারে পুরস্কৃত হন। এছাড়াও সংঘবদ্ধ চোর চক্রের সদস্যকে গ্রেফতারে নেতৃত্ব দানের জন্য গাইবান্ধা বি-সার্কেল এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মইনুল হক, অস্ত্র ও অপহৃত শিশু উদ্ধার, দাগী আসামী গ্রেফতারের জন্য দিনাজপুর জেলার বিরল থানার অফিসার ইনচার্জ পুলিশ পরিদর্শক জনাব এটিএম গোলাম রসুল বিশেষ পুরস্কারে পুরস্কৃত হন।

রংপুর রেঞ্জের মাননীয় ডিআইজি জনাব দেবদাস ভট্টাচার্য্য, বিপিএম মহোদয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সভায় রংপুর রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি জনাব মোঃ ইকবাল হোসেন, পিপিএম-সেবা, ঠাকুরগাঁও এর পুলিশ সুপার জনাব মোহাঃ মনিরুজ্জামান, পিপিএম, আরআরএফ, রংপুরের কমান্ড্যান্ট (এসপি) জনাব মোঃ মেহেদুল করিম, পিপিএম-সেবা, রংপুর রেঞ্জ দপ্তরের পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ এনামুল হক, রংপুরের পুলিশ সুপার জনাব বিপ্লব কুমার সরকার, বিপিএম (বার), পিপিএম, লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার জনাব এস এম রশিদুল হক, পিপিএম, কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম খান, বিপিএম, নীলফামারীর পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ আশরাফ হোসেন, পিপিএম, অত্র রেঞ্জ দপ্তরের পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আব্দুল লতিফ, পঞ্চগড়ের পুলিশ সুপার জনাব মোহাম্মদ মোহাম্মদ ইউসুফ আলী, গাইবান্ধার পুলিশ সুপার জনাব মুহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরের পুলিশ সুপারের অনুপস্থিতিতে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ মাহফুজ্জামান আশরাফ, পিবিআই রংপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জনাব মোঃ আকতার হোসেন, সিআইডি’র সহকারি পুলিশ সুপার জনাব সরোয়ার কবীর সোহাগ এবং অত্র রেঞ্জ দপ্তরের সহকারি পুলিশ সুপার (অপরাধ) জনাব এ, বি, এম জাহিদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।