শিগ্রই অনলাইনে জেনারেল ডায়েরি (জিডি) ব্যবস্থা চালু করবে পুলিশ। প্রাথমিক পর্যায়ে ঢাকা ও ময়মনসিংহ মেট্রোপলিটন এলাকায় চালু হবে।ফলে মানুষ ঘরে বসে মোবাইল বা কম্পউিটারের মাধ্যমে জিডি করতে পারবে। পুলিশ ভেরিফিকেশনের কাজও দ্রুত অনলাইনে আনা হবে শুরুতে অনলাইনে ‘লস্ট অ্যান্ড ফাউন্ড’ জিডি করা যাবে এবং পর্যায়ক্রমে সব ধরণের জিডি অনলাইনে নেয়ার সুবিধা সারাদেশে চালু করা হবে।

আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ‘ডিজিটাল কেইস ডায়েরি’-এর ওপর পর্যালোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান একথা জানান।

ঢাকাকে ‍নিরাপদ নগরীতে পরিণত করার লক্ষ্যে সেইফ সিটি প্রকল্পের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন ‘সেইফ সিটি প্রকল্পের আওতায় শুধু ঢাকা মহানগরীর প্রায় ৬ হাজার কিলোমিটার রাস্তা জুড়ে বসবে উন্নত প্রযুক্তির ক্যামেরা। এর ফলে যে কোন অপরাধীর এনআইডি থেকে ছবি নিয়ে শনাক্ত করা যাবে তার অবস্থান। প্রথমে ঢাকা মহানগরীকে সেফ সিটির আওতায় নিয়ে আসা হবে। এরপর পর্যায়ক্রমে সারাদেশর সবগুলো সিটি কর্পোরেশনকে এ প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। ফলে যানজট নিরসনের পাশাপাশি অপরাধও নিয়ন্ত্রণ করা সহজ হবে।’

মাননীয় মন্ত্রী জরুরি সেবা ‘৯৯৯’ নম্বরের কার্যক্রমে আরও গতি আনতে এবং এ বিষয়ে একটি পলিসি প্রণয়ণের জন্য জননিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত সচিবকে আহবায়ক করে ৬ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করে দেন।

সভায় আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক, জননিরাপত্তা বিভাগের সচিব মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, বাংলাদেশ পুলিশের আইজিপি ড. মোঃ জাবেদ পাটোয়ারী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, আইসিটি বিভাগ, এ টু আই ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।